কী যেনো নাম ছিলো তোমার?

পুরোনো রোগ তীব্র হচ্ছে আবার। আমার নামধাম
কিছু মনে থাকছে না কারো। আরো ভয়ের
ব্যাপার হলো, চেহারাসুরতও বেমালুম
ভুলে যাচ্ছি। খাচ্ছি-দাচ্ছি, গায়ে-গাতরে
বাড়ছি আর এই রোগ, পুষে চলছি প্রতিনিয়ত।

একদিন নতুন মডেলের ধাতব পাখি
উড়ে এলো শহরে। বহরে বহরে লোকজন
চেপে বসলো তাতে। সাথে ছিলে তুমি ও
তোমার নতুন মানুষ। ফানুসের মতো
রঙিন হয়ে পাখিটা উড়ে গেলো একদিন।

পাখিটা উড়ে গেলো, কোথায় যে গেলো-
তার আর হয়নি জানা। ডানা থাকতো যদি,
ধাওয়া করতাম হয়তো। নয়তো তারও আগে,
ঢুকে যেতাম পাখিটার পেটে।

এই যে তুমি তুমি করছি, তোমার চেহারা
কিন্তু মনে পড়ছে না। ধরছে না স্মৃতির অ্যান্টেনায়
তোমার নামও। খামও হারিয়ে ফেলেছি সব;
যাতে তোমার নাম ছিলো লেখা। একা এবং একা
এ সব ভাবছি আর প্রশ্ন জাগছে মনে, তোমার
চেহারা যেনো কেমন, কী যেনো নাম ছিলো তোমার?

Leave a Reply