যন্ত্রণার কীট

কয়েকদিন আগে লেখা। সময় ও তারখি ভুলে গেছি।

আমার যন্ত্রণার কীটেরা ক্রমশই বড়
হতে থাকে। কুটকুট করে কামড়ে
খায় পুরোটা অনুভূতি শক্তি। আমি স্থবির
হতে থাকি। মুখ থুবড়ে পড়ে থাকি
হাজার টন ওজনের কন্টেইনারের নিচে।
যেটি তুমি ফেলে গেছো উপরে।
আমি ছেঁচে যাই। রক্ত জমাট বাঁধে পথে।

তার উপর দিয়ে হেঁটে যাও তুমি।
কার যেনো হাত ধরে। কার হাত
তোমার প্রিয় উঠেছে, আমি তা জানিনা।
এবং এটাও মনে করিনা যে, কারো হাত
তোমার প্রিয় হবেনা। এটা তো খুব স্বাভাবিক।
আমার হাত শক্ত ছিলো। প্রাণহীন ছিলো।
হয়তো তোমার নতুন হাত নরম; প্রাণচঞ্চল।
থেতলে যাওয়া রক্তাক্ত আমাকে তোমার
দয়া হয়। কেনো? তুমি কি জানতেনা
এসব? জানতেনা কি এতো বড় যন্ত্রণার
ভাড় আমি বইতে পারবোনা? তোমার তো
সবই জানা ছিলো। আমার মুখ-চিবুক
সবই তো তোমার মুখস্ত ছিলো। তবুও
কেনো এতো এতো ভাড়ি যন্ত্রণা তুমি আমাকে
দিলে! একটু দয়াও কি তখন লাগেনি?
একবার চোখ বন্ধ করে দু হাতে কানে চেপে
ধরো; ভাবো তোমার মাথার ভিতরে
যন্ত্রণার কীটেরা কিটকিট কামড়ে যাচ্ছে,
দেখো কেমন লাগে…

Leave a Reply