রবিবারকে আর কবিতা শেখানো গেলোনা

লেখা হয়েছ
গত রবিবার
সন্ধ্যার পর, রাত্রি নামার পথে বসে।


রবিবারেরা কবিতার মানে বুঝেনা।
রবিবারের সন্ধ্যা বন্ধা হয়ে থাকে
তাই। ঘাসফুলের জড়ায়ুতে পুরুষাঙ্গ
কিলবিল করে। হাসফাস মরে যায় প্রতিবাদী
মন। কবিতার খাতায় রক্ত লাল

চোখের তারা, নখের আচড়ের ঘা’য়ে
জন্ম নেওয়া কীট পড়ে যায় ঝড়ঝড় করে।
একটা কবিতাও লেখা হয়না কারো।
বড় হয়ে যাওয়া ঘাসফুলের ডগায় ঝুলে থাকে
জমানো বীর্য। নি:শ্বাসে যার গন্ধ আসে,
তাকে চায় মন। পায়না বলে প্রতিবাদ করে
ঘাসফুলে নাক ডুবিয়ে। জেতা যায়না এভাবে।
হাসফাস দম বন্ধ মৃত্যুই এখানে বিজয়।
জোয়ার ভাটার নদীতে
অযাচিত বাদুরের দল। নিজ কোটের বল
স্বয়ং লাফিয়ে চলে গেছে। মালিকানার নাগাল
হাতছাড়া তাই। উলট পালট মন
হয়ে গেছে নেড়ী কুকুরের জীভ। চেটে
পুটে খেয়ে চলেছে ডাস্টবিনের রস।
আমার ঠোটে দুমড়ে মুচড়ে পড়ে আছে শীত।
রবিবারে আমার কবিতা লেখা হয়না;
শীতের পিছু দৌড়ে দৌড়ে
রবিবারকে কবিতা শেখানো গেলোনা….

Leave a Reply